আমি মুক্তিযোদ্ধার সন্তান, কোনো বাঁধা মানব না: ইশরাক - SOMOYERKONTHOSOR

বিভিন্ন স্থানে ধানের শীষ প্রতীকের গণসংযোগে ও সভা-সমাবেশে বাঁধা দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের বিএনপি সমর্থিত মেয়র প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন।

তিনি বলেন, ‘আজকেও আমাদের প্রচারণায় বাধা দেওয়ার চেষ্টা হয়েছিল। আমি সংশ্লিষ্টদের বলে দিতে চাই, আমি ইশরাক হোসেন একজন মুক্তিযোদ্ধার সন্তান। কোনো ষড়যন্ত্র, বাঁধা আমরা মানব না।

আজ বুধবার (২২ জানুয়ারি) দুপুরে পশ্চিম হাজারীবাগের ঝাউচর বাজার থেকে ১৩তম দিনের প্রচারণা শুরুর আগে দেওয়া সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

পুলিশ প্রশাসনকে জনগণের পক্ষ হয়ে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে ইশরাক বলেন, ‘ঢাকা শহর হবে শান্তির জনপদ। এখানে কোনো সন্ত্রাসীর স্থান হবে না। এই দেশটা আমাদের সবার। আমরা কারও জমিদারিত্ব মানব না।’

তিনি বলেন, ‘গতকাল আমাদের উত্তরের মেয়র প্রার্থীর প্রচারণায় পেছন থেকে ন্যাক্কারজনকভাবে হামলা চালানো হয়েছে। প্রায় ২৪ ঘণ্টা হতে চললো কিন্তু আমরা এখন পর্যন্ত একটা গ্রেপ্তার হতে দেখলাম না।

আরও পড়ুন: ‘নির্বাচন যতই ঘনিয়ে আসছে শাসকগোষ্ঠীর সন্ত্রাসী বাহিনী ততই হিংস্র ও বেপরোয়া হয়ে উঠছে’ মির্জা ফখরুল

আমি আপনাদের পুলিশ-প্রশাসনকে বিনীত অনুরোধ করবো, আপনাদের প্রতি যে গুরুদায়িত্ব আছে সেটা আপনারা পালন করুন। নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে আপনাদের ওপর যে সাংবিধানিক দায়িত্ব দেয়া হয়েছে সেটা আপনার পালন করুন। আমি আপনাদের প্রতি বিনীত অনুরোধ করব, আপনারা জনগণের পক্ষে কাজ করুন।’

ইশরাক বলেন, ‘আজকে এই শহরটাকে ধ্বংস করে ফেলা হয়েছে। এই ধ্বংসাত্মক অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য আমাদের একটা পরিবর্তন দরকার। আগামী ১ ফেব্রুয়ারি একটা সুবর্ণ সুযোগ এসেছে।

১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধের অঙ্গীকার ছিল জনগণ হবে ক্ষমতার মালিক, জনগণ হবে রাষ্ট্রের মালিক, এই অধিকারকে পুনরায় প্রতিষ্ঠিত করার একটা সুযোগ এসেছে আমাদের সামনে।’

আরও পড়ুন: ‘তাবিথের প্রচারণায় হামলা ষড়যন্ত্রের অংশ’ আশঙ্কা হিসেবে দেখছেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ

এর আগে সকাল ১১টা থেকে নেতাকর্মীরা মিছিল নিয়ে ঝাউচর বাজারে একত্রিত হন। এ সময় তারা খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান ও ধানের শীষে ভোট চান।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি প্রফেসর এমাজউদ্দিন আহমেদ, বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হাবীব উন নবী খান সোহেল, বিএনপি নেতা মীর সরাফত আলী সপু, কাজী আবুল বাশার প্রমুখ।

Facebook Comments