corona-virous

সরকার যে নিয়মাবলী প্রকাশ করছে সেই নিয়ম শুধু খাতায় কলমে বা মুখের কোথায় নয় তা বাস্তবেও পালন করতে হবে। সেই ব্যবস্থাই করছে আঞ্চলিক তৃণমূল কংগ্রেসের সদস্যরা।

এতদিন মাস্ক ছাড়া পেট্রোল নিতে গেলে পেট্রোল মিলবে না রাস্তায় বেরিয়ে মাস্ক না পড়লে পুলিশের লাঠি এসব মানুষ দেখেছে কিন্তু নিজে সচেতন না হলে ত্রানও দেওয়া হবে না। মুখে মাস্ক মাস্ট , না হলে কিচ্ছুটি মিলবে বলে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে গ্রামীণ হাওড়া তৃণমূল কংগ্রেসের সদস্যদের পক্ষে।

করোনা সংক্রমণ রুখতে রাজ্য সরকার মাস্ক ব্যবহার বাধ্যতামূলক করলেও এখনও বহু মানুষ অসচেতনতার পরিচয় দিয়ে মাস্ক ছাড়াই দিব্যি ঘুরে বেড়াচ্ছেন। এবার ত্রাণসামগ্রী বিতরণে অভিনব উদ্যোগ নিল আমতার উদং-১ অঞ্চল তৃণমূল কংগ্রেস। গ্রামীণ হাওড়ার উদং-১ অঞ্চল তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে উদং,ফতেপুর,খসনান,বিশুবেড়িয়া গ্রামের প্রায় ৭০০ মানুষের হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে চাল,ডাল,আলু,ময়দা সহ বিভিন্ন নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী।

আজ সকালে দলীয় কার্যালয়ের সামনে নির্দিষ্ট সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে তাঁদের হাতে খাদ্যসামগ্রী তুলে দেন স্থানীয় জেলা পরিষদের সদস্য তথা হাওড়া জেলা পরিষদের সহ-সভাপতি অজয় ভট্টাচার্য। তবে মাস্ক ছাড়া কেউ ত্রান নিতে এলেই তিনি পরছেন বাতিলের তালিকায়। তবে তাঁকে আগে মাস্ক দেওয়া হচ্ছে। তারপরে অপেক্ষা করতে হচ্ছে। তবেই মিলছে ত্রান।

উদং-১ অঞ্চল তৃণমূল কংগ্রেসের যুব সভাপতি সৌমেন হাইত জানান,”বেশিরভাগ মানুষই মাস্ক ব্যবহার করছেন।তবে কিছু মানুষ মাস্ক ছাড়াই আসছেন।তাদের হাতে আমাদের পক্ষ থেকে তুলে দেওয়া হচ্ছে মাস্ক।মাস্ক ব্যবহার করলে তবেই মিলছে ত্রাণসামগ্রী।” এদিকে দেশে লকডাউনের মেয়াদ আরও দু’সপ্তাহ বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।

রবিবার, ৩ মে দ্বিতীয় দফার লকডাউন শেষ হওয়ার কথা ছিল, কিন্তু তার আগেই শুক্রবার সন্ধ্যায় বিজ্ঞপ্তি জারি করে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক এর মেয়াদ বৃদ্ধি করে আগামী ১৭ মে পর্যন্ত লকডাউন জারি রাখার কথা বলেছে। সারা দেশেই গণপরিবহন, স্কুল-কলেজ-শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে। হোটেল-রেস্তোরাঁ, সিনেমা হল, শপিং মলও খোলা যাবে না। কোনও ধরনের সামাজিক, রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক বা ধর্মীয় সমাবেশ করা যাবে না। বন্ধ থাকবে ধর্মীয় স্থানগুলিও।

জরুরি প্রয়োজন ছাড়া অন্য কোনও কাজে সন্ধ্যা ৭টা থেকে পরের দিন সকাল ৭টা পর্যন্ত বাড়ির বাইরে বেরনো যাবে না। মেয়াদ বাড়ানো হলেও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড শুরু করতে লকডাউনের এই তৃতীয় পর্যায়ে কড়াকড়ি অনেকটা শিথিলও করা হয়েছে। সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার ওপরে ভিত্তি করে যে তিনটি জোন বা ক্ষেত্রে ভাগ করা হয়েছে, শিথিলতাও সেই এলাকাভিত্তিকই হবে।

যে এলাকা কনটেইনমেন্ট জোন হিসাবে ঘোষিত হয়েছে, সেগুলি চারদিক দিয়ে সিল করতে হবে। শুধুমাত্র চিকিৎসা আর অত্যাবশ্যকীয় পণ্য সরবরাহের জন্য সিল করা এলাকা থেকে বেরনো বা প্রবেশ করা যাবে। বাকি সবধরণের কর্মকাণ্ড বন্ধই থাকবে ওই এলাকায়

আরও পড়ুন:

বিশ্বব্যাপী করোনাভাইরাস ডিজিজ কোভিড-১৯ রোগীর সংখ্যা ৩৪ লাখ ছাড়াল

গেঞ্জির কাপড়ের মাস্ক অনেক বেশি কার্যকর “যুক্তরাষ্ট্রের ইলিনয় ইউনিভার্সিটি”

সব ধরনের ‘জল্পনা-কল্পনা’ আর ‘গুঞ্জন’কে উড়িয়ে দিয়ে প্রকাশ্যে এলেন কিম

Facebook Comments