COVID-19

নয়াদিল্লি : মাত্র ৪০ পয়সার দামের একটি অ্যান্টাসিড ফামোটিডাইন এবার পথ দেখাচ্ছে করোনার বিরুদ্ধে যুদ্ধে। জানা গিয়েছে করোনার প্রতিরোধের লড়াইয়ে এই অ্যান্টাসিডের হাত ধরেই আশার আলো দেখতে পাচ্ছেন বিজ্ঞানীরা। ইতিমধ্যেই ভারত সরকার এই অ্যান্টাসিডের মজুত বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছে। উৎপাদনও যাতে বৃদ্ধি পায়, তার চেষ্টা চলছে।

দ্য প্রিন্ট সূত্রে খবর, সরকার অনুমোদিত ভারতীয় জনশুদ্ধি পরিযোজনা ও ন্যাশনাল ফার্মাসিউটিক্যাল প্রাইসিং অথরিটিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এই ওষুধ মজুত করার পরিমাণ জানানোর। দেশে ফামোটিডাইনের উৎপাদন ক্ষমতা ও দেশীয় বাজারে এর উপস্থিতির হার সম্পর্কেও খোঁজ নিচ্ছে কেন্দ্র।

ফামোটিডাইন বিভিন্ন ব্রাণ্ডের মধ্যে পাওয়া যায়, তবে ভিন্ন ভিন্ন নামে। ভারতে এটি ফ্যামোসিড ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে পেপসিড বলে পরিচিত। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইতিমধ্যেই এই ওষুধ নিয়ে পরীক্ষানিরীক্ষা শুরু করেছে। বিজ্ঞানীরা বলছেন, করোনা আক্রান্তদের অনেকেই অ্যাকিউট হার্টবার্ন বা অ্যাসিডিটির সমস্যায় ভুগছিলেন। তাদের এই ওষুধ দেওয়া হয়। বিশেষত চিনের উহানে এই ওষুধের ব্যবহার বেশি দেখা যায়। ওষুধটি খেয়ে অনেকেই করোনার হাত থেকে বেঁচে ফিরেছেন বলে খবর।

এদিকে, শুক্রবার মার্কিন নিয়ন্ত্রক সংস্থা এফডিএ (Food and Drug Administration) জরুরি পরিস্থিতিতে পরীক্ষামূলকভাবে করোনা চিকিৎসায় রেমডেসিভি ওষুধ ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছে৷ ওয়াইট হাউসে একথা জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প৷ এই ওষুধ করোনভাইরাস রোগীদের দ্রুত পুনরুদ্ধার করতে সহায়তা করে বলে মনে করা হচ্ছে৷ COVID-19 বিরুদ্ধে লড়াই এটি প্রথম ড্রাগ হিসাবে দেখানো চেষ্টা করছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র৷

মারণ ভাইরাসে সারা বিশ্বে ইতিমধ্যে প্রায় ২ লক্ষ ৩০ হাজার মানুষের জীবন কেড়ে নিয়েছে৷ শুধু মার্কিনমুলুকেই করোনা ভাইরাসে মৃতের সংখ্যা প্রায় ৬৫ হাজার৷ মার্কিন সরকার কর্তৃক এক গবেষণা থেকে প্রাপ্ত প্রাথমিক ফলাফলের পরে এফডিএ জানিয়েছিল যে, গিলিয়ড সায়েন্সেসের রিম্যাডিসিভির হাসপাতালে ভর্তি COVID-19 রোগীদের জন্য পুনরুদ্ধারের সময় ৩১ শতাংশ কমেছে৷ অর্থাৎ গড়ে চার দিন কমেছে।

আরও পড়ুন:

অনুপযোগী পিপিই PPE ব্যবহার ভয়ঙ্কর বিপদ ডেকে আনতে পারে: বিশেষজ্ঞরা

গেঞ্জির কাপড়ের মাস্ক অনেক বেশি কার্যকর “যুক্তরাষ্ট্রের ইলিনয় ইউনিভার্সিটি”

সব ধরনের ‘জল্পনা-কল্পনা’ আর ‘গুঞ্জন’কে উড়িয়ে দিয়ে প্রকাশ্যে এলেন কিম

করোনাভাইরাস: আমাদের স্বাস্থ্যঝুঁকি ও প্রয়োজনীয় কিছু উদ্যোগ

Facebook Comments